Saturday, February 2, 2019

Remove Your Cancer by this two things - মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!



Remove Your Cancer by this two things - মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!

Osh State Medical University, Moscow, Russia's Cancer Specialist Dr. Guptasrasad Reddy (BV) said that cancer is not a mortality, but people die from this disease only because of indifference.

According to him, following only two ways v is the ineffective cancer. The ways are: -

1. First of all eat all sugar or sugar. Because, if you do not get sugar in the body, cancer cells are destroyed or naturally.

2. Then mix a lemon chip with a glass of hot water. Get rid of the lemon mix hot drinks in the stomach before eating three months in the morning. Cancer will disappear

A study by the Maryland College of Medicine says that a thousand times better than chemotherapy.

3. Eat three teaspoons of organic coconut oil every morning and night, cancer is cured.

After taking sugar, take any of the following two therapies. Cancer can not cure you. But negligence or indifference is no excuse.

Note that people are aware about cancer. Gupta Prasad has been promoting various information including social media for the past five years.

In addition, he requested everyone to share this information with the opportunity to let everyone know.

He said, "I am my work. Now share your work and protect it from the surrounding human cancer." Source: Reddit


ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।
তার মতে, মাত্র দুটি উপায় vঅনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।
২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।
মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।
৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।
চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।
উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।
সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।
তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।” সূত্র: রেডিট

Saturday, January 26, 2019

তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণাই করি

তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণাই করি 

*********************************
রাত চারটায় একটি সন্তান হলো, আমি আযান দিতে জানিনা, তাই চলে গেলাম হুজুরের কাছে, হুজুর এলো কনকনে শীতের মধ্যে! আযান দিলো....
- তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
চার বছর চার মাস হলো শিশুকে মক্তবে পাঠালাম, হুজুর দোয়া দরুদ দিয়ে জীবনের প্রথম শিক্ষা শুরু করালেন...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
ছয়বছর থেকে কোরান পড়া শিখালেন, নামাজ শিখালেন আদব কায়দা শিখালেন....
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
দিনে পাঁচবার হুজুরের পেঁছনে নামাজ পড়ি, জুমার নামাজ, তারাবির নামাজ, ঈদের নামাজ, হুজুরের পেঁছনেই পড়ি...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
আমিতো অনেক লাট বাহাদুর তাই একটু হজ্জ্ব করবো, নিয়ম কিছু জানিনা হুজুরের কাছে গেলাম...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
বিয়ে করবো, সেখানে তো ডান্স বন্দুরা বিয়ে পড়াতে জানেনা তাই ঐ হুজুরকে দিয়ে বিয়ে পড়ালাম...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
বৃদ্ধ হয়ে গেলাম, হাটতে পারিনা চলতে পারিনা, রোগে ধরে গেছে এসব থেকে বাঁচার জন্য হুজুর থেকে দোয়া নিলাম...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
মরতে তো হবে, লাশের গোসলের নিয়ম কেউ জানেনা, আবার কেউ কেউ লাশকে গোসল ও করাতেও ভয় পায়, হুজুর তাও গোসল দিয়ে দিলেন...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
দুনিয়াতে তো অনেক পাপ করলেন, একটু আজাব কমানোর জন্য হুজুর লাশের পাশে বসে কোরান তিলোয়াত করলেন...

_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
জানাযাটাও কেও পড়াতে জানেনা, চিন্তা কিসের হুজুর আছেনতো! হুজুর জানাজা টাও পড়ালেন...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
শেষ পর্যন্ত কবর দিয়ে একা কবরে রেখে সবাই চলে গেলেন। কিন্তু ঐ অভাগী হুজুর কবরের পাশে দাঁড়ীয়ে রইলেন। একটু মৃতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন...
_ তবুও হুজুরকে দেখলে ঘৃণা করি...!
মানুষের জীবনে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন হুজুরের ঋণ কেউ পরিশোধ করতে পারবেনা। কোরান হাদীসের বানী অনুযায়ী সমাজের, ইসলামের, রাষ্ট্রের যদি কেউ নেতা থাকে তিনি হলেন একজন ধর্মীয় আলেম যদিও বাস্তবে তা মানছেনা।
আলেমরা হলেন নবী গনের উওরাধিকারী। ধর্মীয় আলেমদের সম্মান করুন ভালবাসুন। আপনি যদি এসব না পারেন তাহলে অন্তত তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করবেন না। আলেমদের সম্মান করুণ।
আল্লাহ আমাদের সকল মুসলিম ভাই বোনদের বুঝার তৌফিক দান করুক, আমীন।






*কালোজিরা যদি সকল রোগের প্রতিষেধক হয় তাহলে এর থেকে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায় না কেন?*



*কালোজিরা যদি সকল রোগের প্রতিষেধক হয় তাহলে এর থেকে কাঙ্খিত ফল পাওয়া যায় না কেন?*

▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
প্রশ্ন: মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন- কালিজিরা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ওষুধ। তাহলে নিয়মিত কালজিরা খেলেও রোগ সারে না কেন? কালিজিরা খাওয়ার কি কোনো নিয়ম আছে?
উত্তর:
প্রথমে আমরা কালোজিরা সম্পর্কে হাদিসে কী বলা হয়েছে তা জেনে নিব। এ সম্পর্কে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি উল্লেখ করা হল:
 ১) আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلاَّ السَّامَ ‏"‏ ‏.‏ وَالسَّامُ الْمَوْتُ
“তোমরা এই কালোজিরা ব্যবহার করবে। কেননা, এতে মৃত্যু ছাড়া সব রোগের প্রতিষেধক রয়েছে।” [সূনান তিরমিযী, হাদিস নম্বরঃ [2048]অধ্যায়ঃ ৩১/ চিকিৎসা (كتاب الطب عن رسول اللَّهِ ﷺ), ইসলামিক ফাউন্ডেশন]
 ২) আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন:
فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ، إِلاَّ السَّامَ
“কালোজিরায় মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের আরোগ্য রয়েছে। (বুখারী পর্ব ৭৬ অধ্যায় ৭ হাদিস নং ৫৬৮৮; মুসলিম ৩৯/২৯ হাঃ ২২১৫)
 ৩) বুরায়দা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ هَذِهِ الْحَبَّةَ السَّوْدَاءَ فِيهَا شِفَاءٌ ، قَالَ وَفِي لَفْظٍ : قِيلَ وَمَا الْحَبَّةُ السَّوْدَاءُ ؟ قَالَ الشُّونِيزُ قَالَ
وَكَيْفَ أَصْنَعُ بِهَا ؟ قَالَ : تَأْخُذُ إِحْدَى وَعِشْرِينَ حَبَّةً فَتَصُرُّهَا فِي خِرْقَةٍ ، ثُمَّ تَضَعُهَا فِي مَاءٍ لَيْلَةً فَإِذَا أَصْبَحْتَ قَطَرْتَ فِي الْمَنْخِرِ الْأَيْمَنِ وَاحِدَةً وَفِي الْأَيْسَرِ اثْنَتَيْنِ ، فَإِذَا كَانَ مِنَ الْغَدِ قَطَرْتَ فِي الْمَنْخِرِ الْأَيْمَنِ اثْنَتَيْنِ وَفِي الْأَيْسَرِ وَاحِدَةً ، فَإِذَا كَانَ فِي الْيَوْمِ الثَّالِثِ قَطَرْتَ فِي الْأَيْمَنِ وَاحِدَةً وَفِي الْأَيْسَرِ اثْنَتَيْنِ
নিশ্চয় এই কালোজিরায় আরোগ্য রয়েছে। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, কালোজিরা কী? তিনি বললে, শুনীয। প্রশ্ন করলেন: কিভাবে তা ব্যবহার করবো?
তিনি বললেন:
“২১টি কালোজিরার ১টি পুটলি তৈরি করে রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখবে এবং সকালে (পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে নাসারন্ধ্রে ব্যবহার করবে) “প্রথমবার ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। পরের দিন বাম নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং ডান নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয় দিন ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা।” (আবু নুআইম-কিতাবুত ত্বিব, মুস্তাগফিরী-কিতাবুত ত্বিব-সহীহ বুখারীর ব্যাখ্যা গ্রন্থ ফাতহুল বারী থেকে নেয়া)
কালোজিরা সম্পর্কে একাধিক বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই হাদিসগুলো অবশ্যই সত্য। এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নাই। কারণ তিনি, যা বলতেন আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহীর মাধ্যমে বলতেন। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ- إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ
এবং তিনি মনগড়া কথা বলেন না। এটি (আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিকট) প্রেরিত ওহী ছাড়া অন্য কিছু নয়।” (সূরা নজম: ৩ ও ৪)
 *কালোজিরা থেকে উপকৃত হতে হলে কী করণীয়?*
কালোজিরা থেকে প্রকৃত উপকার পেতে হলে অবশ্যই তার ব্যবহার পদ্ধতি জেনে সঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে হবে।
কখনো কালোজিরার তেল, কখনো পাউডার, কখনো মধু বা অন্যান্য জিনিসের সাথে মিশ্রণ, কখনো ফোটা আকারে ঢেলে, কখনো ব্যান্ডেজ করে এবং ব্যবহারের সঠিক সময় ও নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণ করে ব্যবহার করতে হবে। এ বিষয়গুলো গবেষণা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে বিশেষজ্ঞদের নিকট থেকে জানতে হবে। তাহলে আশা করা যায়, কালোজিরা ব্যবহার করে সকল প্রকার রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। ইচ্ছে মত কালোজিরা ব্যবহার করলেই সকল রোগের ক্ষেত্রে সমান ভাবে সাফল্য নাও পাওয়া যেতে পারে।
 *তবে মনে রাখতে হবে,* রোগ থেকে আরোগ্য দান কারী একমাত্র আল্লাহ। ঔষধ-পথ্য কেবল মাধ্যম। সুতরাং আল্লাহ যদি না চান তাহলে কোন ওষুধই কাজ করে না।
কারণ আল্লাহ হয়তো বান্দাকে রোগব্যাধি দিয়ে পরীক্ষা করেন অথবা এর মাধ্যমে তার গুনাহ মোচন করেন, আখিরাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং সেখানে তাকে এর চেয়েও বড় পুরস্কারে ভূষিত করেন যা দুনিয়ার সকল কল্যাণ এর থেকেও অধিক উত্তম। এ মর্মে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
সুতরাং ঝাড়ফুঁক, কালোজিরা, মধু, হোমিও, এলোপ্যাথি, ইউনানি সকল প্রকার ওষুধ ব্যবহার করে100% রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে- এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। কারণ আল্লাহ সুবহানাতায়ালা রোগ থেকে মুক্তি দান কারী এটা তার ইচ্ছার উপরে নির্ভরশীল।
আমাদের কাজ হবে আল্লাহর উপর ভরসা করা এবং বিভিন্ন পথ্য ও ঔষধ ব্যবহার করা।
আল্লাহ চাইলে অবশ্যই সুস্থতা অর্জিত হবে। অন্যথায় তিনি অন্যভাবে বান্দাকে এর বিনিময় দান করবেন। এ বিশ্বাস রাখাই মুমিনের কর্তব্য।
যেমন জমিনে সঠিক পদ্ধতিতে কৃষি কাজ ও চাষাবাদ করে ও অনেক সময় ফসল পাওয়া যায় না, সঠিকভাবে গাছ পরিচর্যা করার পরেও তাতে ফল ও ফুল ধরে না, দাম্পত্য জীবন সঠিকভাবে অতিবাহিত করার পরেও সন্তান ভাগ্যে জোটে না, এ্যালোপ্যাথিক, হোমিও, ইউনানি ইত্যাদি ঔষধ যথার্থ নিয়মে ব্যবহার করার পরেও অনেক সময় রোগ সারে না। কারো উপকার হয়; কারো হয় না।
সুতরাং এই বিষয়গুলো সর্বদা মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু যথার্থ নিয়মে কালোজিরা ব্যবহার না করার ফলে প্রত্যাশিত ফলাফল লাভ না করলে কোনোভাবেই হাদিসের প্রতি কু ধারণা পোষণ করা বৈধ নয়। যদিও ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা এই হাদিসের ব্যাপারে নানা অভিযোগ উত্থাপন করে থাকে।
আমরা দোয়া করি আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন। আমীন।
বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞান কালোজিরা গবেষণা করে এর মাধ্যমে অনেক রোগের চিকিৎসায় বিস্ময়কর ফলাফল অর্জন করেছে। আমরা আশা করি, সময়ের ব্যবধানে এর আরও ওষধি গুণ মানবজাতির সামনে প্রতিভাত হবে ইনশাআল্লাহ।
▬▬▬ ◈◉◈▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব
fb/AbdullaahilHadi

Thursday, January 24, 2019

স্ত্রী কে রেখে স্বামী কত দিন প্রবাসে থাকতে পারবে ?



আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
★প্রিয় জানা অজানা বন্ধুরা
স্ত্রী কে রেখে স্বামী কত দিন প্রবাসে থাকতে পারবে ?
ইসলামী শরীয়তে স্ত্রীর উপর যেমন স্বামীর কিছু অধিকার রয়েছে তেমনিভাবে স্বামীর উপরও স্ত্রীর কিছু অধিকার রয়েছে। এ অধিকার পালনে যদি উভয়ই সচেষ্ট এবং যত্নবান হয় তাহলে সংসার সুখময় হতে বাধ্য। তবে অধিকার আদায়ে তুলনামূলক স্বামীকেই বেশি যত্নশীল হওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ নারীদের কিছু সীমাবদ্ধতা ও দুর্বলতা রয়েছে। অধিকার আদায়ে স্বামী সচেতন না হলে সে দুর্বলতাগুলো আরো প্রকট হয়ে উঠে। বস্তুত সাংসারিক জীবনকে পারস্পারিক সমঝোতা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে পরিচালনা করাই হলো ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা। একক সিদ্ধান্তে সংসার পরিচালনা করতে গেলে অনধিকার চর্চা এবং অধিকার আদায়ে উদাসীনতার মত অযাচিত ও অবিধানিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। সুতরাং প্রবাস যাপনের ক্ষেত্রেও স্ত্রীর সাথে পরামর্শ করা ও তার সন্তোষজনক অনুমতি গ্রহণ করা আবশ্যক। কারণ চার-মাস অন্তর স্বামীর নৈকট্য লাভ করা স্ত্রীর অন্যতম অধিকার। এর কারণ হলো, যুবতী স্ত্রীরা সাধারণত চার-পাঁচ মাসের বেশি নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না। যায়দ বিন আলমাস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে উমর রা. জনগণের খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য প্রহরী বেশে বের হলেন। এক বাড়ির পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় ঘর থেকে নারী কন্ঠে কবিতা আবৃত্তি শুনতে পেলেন। ঘরের ভিতরে এক মহিলা কবিতা আবৃত্তি করছিল। কবিতার অর্থ : ‘রজনি দীর্ঘ হয়েছে এবং তার এক পার্শ কৃষ্ণ বর্ণ ধারন করেছে। এদিকে দীর্ঘ দিন যাবত আমার বন্ধু আমার কাছে নেই যে তার সাথে আমোদ-প্রমোদ করবো। আল্লাহর শপথ! যদি এক আল্লাহর ভয় না থাকত তাহলে এ খাটের চার পাশ নড়ে উঠত।’ যখন ভোর হলো উমর রা. রাতের কবিতা আবৃত্তি কারিনী মহিলাকে ডেকে পাঠালেন। মহিলা রাজ দরবারে এসে উপস্থিত হলে উমর রা. তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি গত রাতে এ জাতীয় কবিতা আবৃত্তি করেছিলে? মহিলা বলল, হ্যাঁ। উমর রা. বললেন, কেন? উত্তরে মহিলা বলল, দীর্ঘ দিন যাবত আমার স্বামী জিহাদের ময়দানে আছে। উমর রা. এ কথা শুনে একজন মহিলাকে তার সাথে পাঠিয়ে দিলেন। এবং বললেন, তার স্বামী আসা পর্যন্ত তুমি তার সাথে থাকবে। এদিকে উমর রা. ঐ মহিলার স্বামীর নিকট ফিরে আসার নির্দেশনা দিয়ে শাহী ফরমান প্রেরণ করে দিলেন। এরপর তিনি তার কন্যা হাফসা রা. এর নিকট গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে মেয়ে! নারীরা তাদের স্বামী থেকে কতদিন ধৈর্য ধারণ করে থাকতে পারে? হাফসা রা. বললেন, আব্বা আপনার মত ব্যক্তি আমার মত মানুষের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে? তখন উমর রা. বললেন, প্রজাদের স্বার্থ রক্ষার ইচ্ছা যদি না হতো তবে আমি তোমার নিকট এ বিষয়ে প্রশ্ন করতাম না। তখন হাফসা রা. বললেন, মেয়েরা তাদের স্বামী থেকে চার মাস পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে থাকতে পারে। এরপর থেকে উমর রা. চার মাস অন্তর তার মুজাহিদ বাহিনীকে ফেরত নিয়ে আসতেন এবং নতুন বাহিনী পাঠিয়ে দিতেন। সুনানে সাঈদ ইবনে মানসূর, হাদীস ২৪৬৩, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদীস ১২৫৯৪। এজন্য ইসলামী শরীয়তের বিধান হলো, বিবাহ করে যুবতী স্ত্রী রেখে দীর্ঘ দিনের জন্য বিদেশ-বিভূইয়ে যাবে না। তবে যদি স্ত্রী মন থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশ যাত্রার সন্তোষজনক অনুমতি প্রদান করে এবং এ দীর্ঘ সময়ে স্ত্রী নিজেকে কন্ট্রোলে রাখতে পারবে বলে প্রবল ধারণা হয় কেবল তখনই দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে গমন করতে পারবে।
সারকথা, একজন স্বামী তার স্ত্রী থেকে ৪ মাস দূরে থাকতে পারবে। এর বেশি সময় দূরে থাকতে হলে স্ত্রীর সন্তোষজনক অনুমোদন প্রয়োজন হবে। আর স্বামী স্ত্রীর সাথে ছয় মাস দৈহিক সম্পর্ক না রাখলে আপনা আপনি তালাক হয়ে যায় না। তবে স্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে ছয় মাস দৈহিক সম্পর্ক না রাখা বৈধ আছে। আর সন্তোষজনক অনুমতি ব্যতীত ছয় মাস দৈহিক সম্পর্ক না রাখলে গুনা হবে।-সুনানে সাঈদ ইবনে মানসূর, হাদীস ২৪৬৩, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক, হাদীস ১২৫৯৪, সুনানে নাসায়ী, হাদীস ৩৪৬৫, আদ-দুররুল মুখতার ৪/১৪৪, রদ্দুল মুহতার ৪/৩৮০, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ২৯/৪৮
বিয়ে করার পর বউ রেখে অনেকেই বিদেশ চলে যায় জীবিকার খোজে ।এটা করা সম্পূর্ণ অনুচিত।ইসলামের দৃষ্টিতে ||
ভাইয়েরা আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি, বিয়ে করে বিবাহিত স্ত্রীকে বাসায় রেখে কেউ বিদেশ করতে যাবেন না । বিয়ে যদি করতেই চান তাহলে বিদেশ করা শেষ হলে তারপর দেশে এসে তারপর দেখে শুনে বিয়ে করুন ।
কথাগুলো এজন্যই বললাম যে ,আমার পরিচিত বন্ধুদের মধ্যে এবছরই প্রায় তিনটি এরকম ঘটনা ঘটেছে যে , স্বামী বিদেশে আমেরিকায়, দুবাই , ওমানে থাকে অথচ তার রেখে যাওয়া স্ত্রী আরেকজনের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে ।
আমরা ইদানিং বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতেও এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই লক্ষ্য করে থাকি ।
অনেকেই বিদেশ থেকে আসার পর আগের স্ত্রীটাকে আর পান না । তারা কেমন যেন বদলে যায় । সব মেয়ে সমান না । আমার কথায় কেউ ভুল বুঝবেন না , Please ||
যারা আল্লাহর মুমিন বান্দী তারা কখনো অবৈধ সম্পর্কে জড়াবে না ।
কিন্তু ভাই আমাদের সমাজে প্রকৃত ইসলাম শিক্ষার বড়ই অভাব । আর শয়তান তো মানুষকে ভুল পথে , জাহান্নামের পথে নেবার জন্য সদা নিয়োজিত ।
আর একটা কথা , কথাটা অশ্লীল শোনা গেলেও কিন্তু চরম সত্য , কোন মেয়ে বিয়ে হবার আগ পর্যন্ত পুরুষ মানুষ ছাড়া থাকতে পারলেও বিয়ে হবার পর কিন্তু পুরুষ মানুষ ছাড়া থাকতে পারে না ।
এটা তাদের কোন দোষ না । এটা আল্লাহ প্রদত্ত ।
তাই ভাইয়েরা রিস্ক নেবার কি প্রয়োজন ?
বিয়ে করতে হলে বিদেশ করা শেষ হলে তারপর করুন ।
বিদেশ ছাড়তে না পারলে , বউকে সাথে নিয়ে বিদেশে এক সাথে থাকার চিন্তা ভাবনা করুন ||
সামান্য কিছু রিয়াল , পাউনড এবং ডলার জন্য নিজের বউকে দেশে রেখে , বিদেশে চলে যাওয়া ইসলাম কখনো সমর্থন করে না ||
সব কথার শেষ কথা , রিজিক দাতার মালিক হলো আল্লাহ | হাদীস পড়েছি, বিয়ে করলে রিজিক বাড়ে | সুতরাং , স্ত্রী রিজিক নিয়ে চিন্তা করা একটি শয়তানি চিন্তা আমি মনে করি ||
বিয়ে করে জীবনের সব চেয়ে মুল্যবান সময় স্ত্রী ছাড়া কেন আপনি একা একা কাটবেন বিদেশে, এতে আপনি স্ত্রীর হক নষ্ট করছেন |
তাই , ভাই আসুন বিয়ে করে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে এক সাথে থাকুন বিদেশে , নতুবা বাংলাদেশে চলে আসুন স্থায়ী ভাবে ||
বাচলে এক সাথে বাচব , আর মরলে এক সাথে মরব এই মনমানসিকতা নিয়ে নিজের স্ত্রীকে নিজের সাথে রাখুন ||
এতে আপনার মঙ্গল ছাড়া অমঙ্গল
হবে না ।
আজ এই পর্যন্তই ||
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ যেন সবাইকে সুখে শান্তিতে রাখুক || আমীন ||

Remove Your Cancer by this two things - মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও!

Remove Your Cancer by this two things - মাত্র দুটি কাজ করলেই ক্যান্সার উধাও! Osh State Medical University, Moscow, Russia's Can...